Ultimate magazine theme for WordPress.

বাল্য বিয়ের সেই আলোচিত কথা নিয়ে জামাই – কাজীর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ।

0
২১৪ Views

রকিবুল হাসান তোতা, ভারপ্রাপ্ত বার্তা সম্পাদক

 

চুয়াডাঙ্গার জেলার দামুড়হুদার উপজেলার জয়রামপুরে বোনের জামাই ও সরকারি কাজী কুতুবের  বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। ১৮ ই ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে জয়রামপুর গ্রামের হাজী পাড়ার আ:আলিমের স্ত্রী সালমা খাতুন বাদি হয়ে দু’ জনের নামে লিখিত অভিযোগ করে।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সালমা

খাতুনের বোনের নাবালিকা মেয়ে সানজিদা খাতুন (১৫) এর সাথে জয়রামপুর

গ্রামের মাঠপাড়ার ডাবলুর ছেলে স্বাধীন (২০) এর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে

উঠেন। এরই এক পর্যায়ে গত ৭ নভেম্বর স্বাধীনের সাথে দামুড়হুদা সদর

ইউনিয়নের সরকারি কাজী কুতুবের বাড়িতে ২লক্ষ টাকা দেনমোহরে রেজিস্ট্রি কাবিন করে বিবাহ দেওয়া হয়।

দীর্ঘ দেড় মাস ছেলে মেয়ে স্বামী স্ত্রী রুপে ছেলের বাড়িতে ঘর সংসার করতে থাকে। এর এক পর্যায়ে স্বাধীন তার পরিবারের কথায় আমার বোনের মেয়ে কে বলেন তোর সাথে আমার কোন বিয়ে করেনি, আমি তোর সাথে প্রতারণা করে তোর দেহ ভোগ করেছি । এর পরই আমার বোনের মেয়েকে তাদের বাড়ি থেকে বাহির করে দেয়। পরবর্তীতে আমরা কুতুব কাজীর সাথে যোগাযোগ করে তাদের বিবাহর রেজিস্ট্রি কাবিনের কপি চাইলে কুতুব কাজী কাবিননামা দলিল দিতে অস্বীকৃতি জানান। তবে কাজীর বাড়ি দামুড়হুদা বাসস্ট্যান্ড জামে মসজিদ সংলগ্ন কাজীর বাড়িতে বিবাহ সম্পাদনের সময়ের ভিডিও চিত্র ধারণ সহ ঘটনার দু জন স্বাক্ষী রয়েছে তারা হলেন জয়রামপুর কলোনী পাড়ার জাহাঙ্গীর আলম মানিক, মাঠ পাড়ার মনিরুল ইসলাম।উল্লেখ্য, গত ৫/১১/২০২০ইং তারিখে সানজিদা ও তার মামাতো বোন জান্নাতী

খাতুন জহুরুল ইসলামের দোকানে চকলেট কিনতে যান। ঐ সময় স্বাধীন সানজিদাকে দোকান থেকে ফেরার পথে ফুসলিয়ে জোর পূর্বক রাহুলের বাড়িতে নিয়ে যায়। এবং রাহুলের বাড়িতে আটকিয়ে রাখে। পরে সানজিদার পরিবার ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় মেয়েকে সেখান থেকে উদ্ধার করে এনে থানা পুলিশে লিখিত অভিযোগ করে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশ অভিযুক্ত স্বাধীনের বাড়িতে রাতে অভিযান চালিয়ে স্বাধীনকে না পাওয়াই স্বাধীনের মা ও বাড়িতে বেড়াতে আসা বড় বোন, ও তার শিশু সন্তান কে জিজ্ঞেসাবাদের জন্য রাত ভর থানায় আটকে রাখেন।

 পরদিন তারা উভয়ে পরিবারের মাঝে আপষমিমাংশা করে নিলে তাদের থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। অভিযোগের বিষয়ে দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আঃ খালেকের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন – এ সংক্রান্ত একটা অভিযোগ পেয়েছি। প্রযোজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.