Ultimate magazine theme for WordPress.

নাটোর বাগাতিপাড়ায় একসাথে ৩ যমজ নবজাতকের জন্ম সম্রাট হোসেন: নাটোরের বাগাতিপাড়ায় একসঙ্গে তিন যমজ সন্তানের জন্ম দিলেন জলি বেগম (৩৮) নামে এক মা। শনিবার সকালে স্থানীয় দয়ারামপুরের মজুমদার ক্লিনিকে তিনি এই যমজ সন্তানের জন্ম দেন। জলি বেগম বাগাতিপাড়া উপজেলার কোয়ালীপাড়া গ্রামের হেলাল উদ্দিনের স্ত্রী। ক্লিনিক সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে প্রসব ব্যথা নিয়ে জলি বেগম ক্লিনিকে ভর্তি হন। এরপর সিজার ছাড়াই নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে মা জলি বেগম একে একে তিনটি সন্তানের জন্ম দেন। নবজাতক তিনজনই পুত্র সন্তান বলে জানা গেছে। পরে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নবজাতকদের নাটোর আধুনিক হাসপাতালে নেয়া হয়। তবে মা ও তিন সন্তানের সবাই সুস্থ রয়েছেন বলে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এদিকে জলি বেগমের স্বামী হেলাল উদ্দিন জানান, তিনি স্থানীয় একটি কারিগরি কলেজের ল্যাব সহকারী পদে চাকরি করেন। ২০০১ সালে তিনি জলি বেগমকে বিয়ে করেন। এরপর তিন কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। তবে সেগুলো যমজ ছিল না। একটা ছেলে সন্তান না হওয়ায় মনের ভেতরে সামান্য কষ্ট অনুভব করতেন। এরপর হঠাতই তার স্ত্রী গর্ভধারণ করেন। অবশেষে শনিবার এক সাথে তিন যমজ পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। তিন ছেলে সন্তানের জন্ম হওয়ায় হেলাল উদ্দিন মহান সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বেজায় খুশি হয়েছেন বলে জানান।

0
৪৪ Views

সম্রাট হোসেন:

নাটোরের বাগাতিপাড়ায় একসঙ্গে তিন যমজ সন্তানের জন্ম দিলেন জলি বেগম (৩৮) নামে এক মা। শনিবার সকালে স্থানীয় দয়ারামপুরের মজুমদার ক্লিনিকে তিনি এই যমজ সন্তানের জন্ম দেন।

জলি বেগম বাগাতিপাড়া উপজেলার কোয়ালীপাড়া গ্রামের হেলাল উদ্দিনের স্ত্রী।

ক্লিনিক সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে প্রসব ব্যথা নিয়ে জলি বেগম ক্লিনিকে ভর্তি হন। এরপর সিজার ছাড়াই নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে মা জলি বেগম একে একে তিনটি সন্তানের জন্ম দেন। নবজাতক তিনজনই পুত্র সন্তান বলে জানা গেছে। পরে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নবজাতকদের নাটোর আধুনিক হাসপাতালে নেয়া হয়। তবে মা ও তিন সন্তানের সবাই সুস্থ রয়েছেন বলে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

এদিকে জলি বেগমের স্বামী হেলাল উদ্দিন জানান, তিনি স্থানীয় একটি কারিগরি কলেজের ল্যাব সহকারী পদে চাকরি করেন। ২০০১ সালে তিনি জলি বেগমকে বিয়ে করেন। এরপর তিন কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। তবে সেগুলো যমজ ছিল না। একটা ছেলে সন্তান না হওয়ায় মনের ভেতরে সামান্য কষ্ট অনুভব করতেন। এরপর হঠাতই তার স্ত্রী গর্ভধারণ করেন।

অবশেষে শনিবার এক সাথে তিন যমজ পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। তিন ছেলে সন্তানের জন্ম হওয়ায় হেলাল উদ্দিন মহান সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বেজায় খুশি হয়েছেন বলে জানান।

Leave A Reply

Your email address will not be published.