Ultimate magazine theme for WordPress.

কলেজ ছাত্রী চম্পা বিশ্বাসের উদ্ধার সহ পাচারকারীর শাস্তির দাবিতে সংবাদ সন্মেলন

0
২১ Views

মোঃ নজরুল ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধি 

১১।৯।২০২০
যশোরের অভয়নগর উপজেলার হিদিয়া গ্রামের সনাতন ধর্মালম্বী কলেজ ছাত্রী চম্পা বিশ্বাসের উদ্ধার সহ একই গ্রামের পাচারকারী সুবেন্দু বিশ্বাস ওরফে সুমনের শাস্তি চেয়ে সংবাদ সন্মেলন করেছেন ভূক্তভোগীর পরিবার। ১২ সেপ্টেমবর শনিবার সকাল ১১ টায় নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সন্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন চম্পা বিশ্বাসের মা প্রতিভা বিশ্বাস।এ সময় উপস্থিত ছিলেন পিতা কৃষœ পদ বিশ্বাস,জ্যেঠা রতন বিশ্বাস ও পরিবারের অন্যান্য সদস্য সহ প্রেসক্লাবের সকল সাংবাদিক বৃন্দ।লিখিত বক্তব্যে প্রতিভা বিশ্বাস সংবাদকর্মীদের জানান,চম্পা বিশ্বাস তাহার বড় কন্যা।সে গ্রাজুয়েশান শেষ করে সরকারি বি এল কলেজ খুলনাতে এম এ দ্বিতীয় বর্ষে অধ্যায়নরত রয়েছেন।পড়াশুনা৬র চাপে চম্পা বিশ্বাসের শারিরিক ও মানসিক সমস্যা দেখা দিলে তাকে প্রথমে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে নিয়ে চিকিৎসা করানো হয়। সুবেন্দু ভূষন বিশ্বাস,পিতা ফনি ভূষন বিশ্বাস, চম্পার জ্যাঠাতো ভাই হওয়ার সুবাদে বাড়িতে আসা-যাওয়া করত ও চম্পার মোবাইল ফোনে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতো।সুবেন্দু চাকরী দেওয়ার নানা প্রলোভন দেখালে চম্পা তার মাকে জানাই। প্রতিভা বিশ্বাসের আপত্তির মুখে গত ১১ আগষ্ট মঙ্গলবার ভোর বেলা আনুমানিক ৬ ঘটিকায় শুভেন্দু চম্পা বিশ্বাস কে হিদিয়া গ্রামের নিজ বাড়ি হতে ফুঁসলিয়ে বের করে নিয়ে আতœ গোপনে চলে যায় সুমন। সকালে চম্পাকে বাসায় দেখতে না পেয়ে খোঁজা খুঁজির করার সময় প্রতিবেশী মারফত সুবেন্দুর সাথে যাওয়ার কথা জানতে পেরে চম্পার মা সুবেন্দুর পিতা-মাতার কাছে ঘটনাটি জানান। তাহারা গুরুত্ব না দেওয়ায় চম্পার মা শুভেন্দু কে মোবাইলে কল দেন। মুঠো ফোনে সুবেন্দু জানান, সে যশোরে অবস্থান করে ভারতে যাওয়ার যোগাযোগ চালাচ্ছে। নিষেধ করলে শুভেন্দু চম্পাকে ভারতে বিক্রি করে দেওয়ার হুমকী দেয়। এ ঘটনায় চম্পার মা বাদী হয়ে মানব পাচার ও দমন ট্রাইব্যুনাল-১,যশোর আদালতে মামলা দ্বায়ের করেছে যা তদন্তাধীন রয়েছে। সুমন একজন নারী লোভী ও দুষ্কৃতি প্রকৃতির লোক। ইতিপূর্বে সে বাগের হাট জেলার চিন্তিরখোর গ্রামের গোলক সরকারের কন্যা সীমা সরকার কে বিবাহ করে। দাম্পত্য জীবনে একাধিকবার যৌতুক চেয়ে সীমাকে শারিরীক নির্যাতন চালালে, সীমা বাগেরহাট জেলার বিঙ্গ অতিঃ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিঃ আদালতে(মামলা নং- সি আর-৩৭৯/১৬) যৌতুক নিরোধ আইনে মামলা দ্বায়ের করেন। ঐ মামলার আসামী হয়ে শুভেন্দু ১৫ দিন কারাবাস ও করেছেন।এ ছাড়াও তার একাধিক নারীর সহিত পরকীয়া সম্পর্ক রয়েছে।সুবেন্দুর পিতা একজন নামডাকী ম্যাগনেট(পিলার) ব্যাবসায়ী ও ছোট ভাই ধনুঞ্জয় বিশ্বাস জুয়াড়ী হওয়ায় পরিবারটি অর্থনৈতিক ভাবে দেনাগ্রস্থ সহ সামাজিক ভাবে ঘৃনীত।প্রতিভা বিশ্বাসের দাবী অর্থনৈতিক অভাব অনটনের কারনে চম্পাকে ভারতে পাচার পূর্বক বিক্রি করিয়া অর্থনৈতিক ভাবে সাবলম্বী হবেন।ভূক্তভোগী পরিবারটি সংবাদসন্মেলন হতে গনমাধ্যম কর্মীদের মাধ্যমে সমাজের ক্ষমতাবান ব্যাক্তি সহ প্রশাসনের সহযোগীতা কামনা করেন। কৃষক পরিবারটির চাওয়া দ্রæত চম্পা বিশ্বাসের সুস্থ শরীরে, জিবীত অবস্থায় পরিবারে মাঝে ফিরে পাওয়া ও পাচারকারীর দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি।

Leave A Reply

Your email address will not be published.