Ultimate magazine theme for WordPress.

কারচুপি মুক্ত সুষ্ট নির্বাচন জনগণের প্রত্যাশা- চট্টগ্রামে  নারীনেএী জেসমিন

0
২৩৮ Views

 

সেলিম চৌধুরী স্টাফ রিপোর্টারঃ-   চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন  ১১নং ওয়ার্ড দক্ষিণ কাট্টলী

২৫নং ওয়ার্ড রামপুর

২৬নং ওয়ার্ড উত্তর হালিশহর

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচিত কাউন্সিলর জনপ্রিয় নারী নেএী জেসমিন খানম বলেছেন, কারচুপি অবাদ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন আশাবাদ ব্যাক্ত করে বলেন,  সময় আসে সময় যায়। কিন্তু কারো ভালোমন্দ, দোষগুণ ও কর্মের ফিরিস্থি (আমলনামা) মুছে যায় না। এই কর্ম ফিরিস্থিতি বা আমলনামাই ইতিহাসের দলিল। যাকে অস্বীকার করার সুযোগ একেবারেই পরাহত। যদি কেউ তা মুছে ফেলতে পারতো, তবে কোনো দজ্জাল, স্বৈরশাসক, একনায়ক ও দেশমাতৃকার সূর্য সন্তানদের ইতিহাস কখনো রচিত হত না।

 

রাজা বা জমিদারের লাল ঘোড়া কৃষকের জমির উঠতি ফসল নষ্ট করলেও যেমন বলার কেউ থাকে না, তেমনি রায় রক্ষিতার সুযোগও একেবারে পরাহত। স্বাধীনতার আগে ও পরে নির্বাচনেও রয়েছে এর প্রমাণ ও প্রতিফলন। যা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। আগামী  ডিসেম্বরে পৌরসভার নির্বাচন হতে যাচ্ছে। এরই মধ্যে প্রার্থীদের ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টারে সরব। অনেক প্রার্থী এখনই প্রচারেও নেমে পড়েছে। নির্বাচনে কোনো প্রার্থীর জয়-পরাজয় অনেকেরই দেখার বিষয় নয়। তবে স্বচ্ছ, সুষ্ঠু, অবাধ ও কারচুপিমুক্ত নির্বাচন সবারই প্রত্যাশা করে দেশের জনগণ। ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠিত না হলে নির্বাচনের যেমন স্বার্থকতা থাকে না, তেমনি গণতন্ত্র, গণতান্ত্রিক অধিকার ও গণতন্ত্রের মূল্যবোধও নির্বাসিত হয়ে পড়ে। পাকিস্তানিদের ২৪ বছরের শোষণ ও ভোটাধিকার হরণকে দেশের মানুষ মেনে নেয়নি বলেই ‘৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান ও৭১-এর মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ। সেই সময় নির্বাচন কমিশন আমলাতান্ত্রিক জটিলতা?  তখন নির্বাচনে যেমন গণতন্ত্রের বালাই ছিল না,  নির্বাচন কমিশন যদি  সাক্ষী গোপালের ভূমিকা পালন করতো। সেই সময় সার্কেল, মহকুমা প্রশাসক (এসডিও) ও জেলা প্রশাসকগণ যথাক্রমে নির্বাচনে সহকারী প্রিসাইডিং, প্রিসাইডিং ও রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করতো। দৃশ্যত তখন থানা, মহকুমা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের নির্বাচনের ফাইলপত্র ও ভোটের জয়-পরাজয়ের নথিপত্র ছাড়া তেমন কোনো কাজ পরিলক্ষিত হয়নি।  যখন থানা সার্কেল অফিসার (উন্নয়ন), মহকুমা প্রশাসক ও জেলা প্রশাসক তাদের ডাকত তখন ফাইলপত্র নিয়ে হাজিরাই ছিল তাদের কাজ। অর্থাৎ তখন আমলাতন্ত্রের কাছে নির্বাচন কমিশন একেবারে বন্দি হয়ে যায়। তদুপরি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) আমলাদের ধারক-বাহক হিসেবে মিলেমিশে কাজ করে থাকে। যাকে বলা যায় যেই লাউ সেই কদু।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর এ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত নির্বাচনের চালচিত্র, দৃশ্যপট  দেখলে পাকিস্তান আমলের নির্বাচনের কথা অকপটে ভেসে ওঠে। অনেক নির্বাচন কমিশন ও সিইসি এ দায় থেকে মুক্তি পাওয়ার কথা নয়। যদিও কলমে কাগজে নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান। স্বাধীনতার পর থেকে নির্বাচন কমিশন নিয়ে বার বার প্রশ্ন উত্থাপিত হলেও তা আজো বাস্তবায়িত হয়নি। তদুপরি থানা ও পরে উপজেলা এবং জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার পদ থাকলেও, নির্বাচনে মোক্ষম ভূমিকা পালন করে থাকে ইউএনও (প্রিসাইডিং অফিসার), জেলা প্রশাসক (জেলা রিটার্নিং অফিসার)। এখানে লক্ষ্য করলে দেখা যায়, পাকিস্তান আমলে সিও, এসডিও, ডিসি যেভাবে নির্বাচন পরিচালনা করে নির্বাচনের জয়-পরাজয় নির্ধারণ করেছে এখনো একই অবস্থা বিদ্যমান। এখনো নির্বাচনকালীন সময়ে কোনো কারচুপি, অনিয়ম প্রদর্শিত হলেও তাদের কাছেই অভিযোগ করতে হয়। যদিও কোনো অবস্থাতেই এ দায় হতে প্রিসাইডিং ও রিটার্নিং অফিসারের এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ না থাকারই কথা। তবে আমরা আশাবাদী আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু অবাধ একটি সুন্দর নির্বাচন। যে নির্বাচনে প্রতিযোগিতা থাকবে হিংসা নয়। নির্বাচনী মাঠে ভোটে নির্বাচিত হওয়ার গৌরব আলাদা। তাই আগামী চসিক নির্বাচন সাধারণ মানুষের সেবা নিশ্চিত করতে অতীতের ন্যায় ভবিষ্যতে আমার প্রতিক আনারস মার্কায় ভোঠ দিয়ে   নির্বাচিত করার জন্য দলমত নির্বিশেষে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন এবং দোয়া চান নারী নেএী জেসমিন খানম।

সেলিম চৌধুরী

পটিয়া চট্টগ্রাম

০১৮১৯৩৪৯৪৪২

Leave A Reply

Your email address will not be published.