Ultimate magazine theme for WordPress.

গাইবান্ধায় সরকারি প্রকল্পের একাডেমিক ভবন নির্মাণ কাজ শেষ হতে না হতেই ধষ।

0
১১২ Views

 

শেখ মোঃ সাইফুল ইসলাম ( নিজস্ব প্রতিনিধি)

গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের বহুল আলোচিত মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বজরা হলদিয়া দি-মূখী দাখিল মাদ্রাসায় সরকারি বরাদ্দে চাঁরতলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবন নির্মাণের বরাদ্দ পায় ।
এ উপজেলায় গাইবান্ধা জেলা শিক্ষা প্রকৌশলীর অধিনে চাঁরটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৩ কোটি ৬৪ লক্ষ টাকা বরাদ্দে একক প্রতিষ্ঠানে চাঁরতলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবন নির্মাণের বরাদ্দ মেলে।
সরকারি অর্থায়নে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরকারি বরাদ্দ দিয়ে ম্বফসল এলাকায় উচ্চ শিক্ষা লাভ করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এ উদ্দ্যোগ গ্রহণ করেন।
বজরা হলদিয়া দি-মূখী দাখিল মাদ্রাসায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রকল্পের চাঁরতলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবন নির্মান কাজ সুরুর প্রথম থেকেই দফায় দফায় নির্মাণ কাজে অনিযম ও দৃর্নীতি করেই আচ্চেন ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান।
একটি সুত্রে জানাযায়, সরকারি ভবনটির প্রতিটি ঢালাই কাজে প্রতিষ্ঠানের সুপার জয়নুল আবেদিন ৫/১০ হাজার টাকার বিনিময় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে দৃর্নীতি করতে সহযোগীতা করেন।
গতকাল রবিবার বিকালে উক্ত প্রতিষ্ঠানের নির্মাণ কাজ চলমান থাকা কালিন, ভবনটির চাঁরতলা সাদের গার্ডার ধষে পড়ে।
ঢাকা শহরের বহুল আলোচিত ঘটনা রানা প্লাজার মত নির্মাণ কাজে গড়িমসি করে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন নির্মাণ করছেন ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান।
সরকারি বরাদ্দে চাঁরতলা বিশিষ্ট ভবন নির্মাণ কাজে অনিযম ও দৃর্নীতির বিরুদ্ধে স্থানীয় এলাকাবাসী ব্যাপক প্রতিবাদ করলেও সংশিলিষ্ট কতৃপক্ষের মাথা ব্যাথা নেই।
গত ১১/১০/২০ ইং তারিখের ভবন ধষের প্রতিবাদে এলাকাবাসী উদ্দ্যোগ নিয়ে আজ রবিবার ৩ টা ৩০ মিনিটে সমাবেশ ও মানববন্ধনের আয়োজন করে, উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নে মাইক দিয়ে প্রচার চালাতে দেখা গিয়েছে।
এ বিষয়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
সরেজমিনে গিয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধান সুপার জয়নুল আবেদিনের দেখা হলে সাংবাদিকদের দেখে প্রতিষ্ঠান থেকে পালিয়ে যায়।
পরবর্তী বিষয়টি প্রকল্প সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজি লুতফুল হাসানের সঙ্গে কথা হলে, তিনি জানান, তার প্রতিনিধি ঘটনা স্থল পরিদর্শন করে তদন্ত রিপোর্ট দিবেন বলে জানিয়েছেন।
ভবন ধষের বিষয়ে বিভাগীয় নির্বাহী প্রকৌশলী আশাদুজ্জামানকে বিষয়টি অবগত করা হলে, তিনি এক্সসেন অফিসারের সঙ্গে কথা বলতে বলেন।
সরকারি বরাদ্দের ভবনটি নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই ভবন ধষের ঘটনা ঘটে।
বর্তমান প্রতিষ্ঠান এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে, যে কোন মহুর্তে এলাকায় বড় ধরনে ঘটনা ঘটতে পাড়ে।
এ বিষয়ে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক জনাব আব্দুল মতিন সরকার কে বিষয়টি অবগত করার জন্য মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
তাই সরকারি প্রকল্পের দৃর্নীতির বিষয়টি সুষ্ঠভাবে খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমাটি গঠন করে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শতশত জনতা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সু-দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন

Leave A Reply

Your email address will not be published.