Ultimate magazine theme for WordPress.

সুন্দরগঞ্জে শিক্ষা কর্মকর্তার উদাসীনতায় বিদ্যালয় প্রধানের স্বামীকে বিদ্যালয়ে ভুয়া সভাপতি গঠনের অভিযোগ।

0
৮০ Views

 

নিজস্ব প্রতিনিধি:( শেখ মোঃ সাইফুল ইসলাম)

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধর্মপুর মাস্টারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এসএমসি গঠনের লক্ষে অভিভাবক সদস্য পদে গত ১৫/১০/১৯ ইং তারিখে নির্বাচন সম্পুণ করা হয়।
এ নির্বাচনে অভিভাবক সদস্য পদে চাঁর জন অভিভাবক সদস্য অংশ গ্রহণ করে বিজয় লাভ করেন।
নির্বাচিত প্রার্থীদের বঞ্চিত করার জন্য বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা জেসমিন বেগম কৌশলে নিজ স্বামীকে সভাপতি পদে আনার জন্য এসএমসির নির্বাচনের তিন মাস পুর্বে স্বামী রফিকুল ইসলামকে দিয়ে মাস্টারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক শতাংশ জমি দান করে, রফিকুল ইসলামকে সভাপতি বানানো হয়েছে।
অথচ গত ১৩/০১/১৯ ইং তারিখে মাস্টারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা জেসমিনের বিরুদ্ধে উপবৃত্তির অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হয়।
এমন ধরণের অনিযম দৃর্নীতি ঢাকতে স্বামী ও স্ত্রী প্রধান শিক্ষিকা ও সভাপতি পদ আত্মসাৎ করেন।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আশিকুর রহমানের সঙ্গে কয়েক দফায় কথা হলে তিনি, জানান এসএমসির নির্বাচনের পড়ে বিদ্যালয়ে জমি দান করা হলেও আইন অনুযায়ী দাতা ব্যাক্তি পুর্বের এসএমসি গঠনের সময় ম্যানোজিং কমিটিতে আসতে পারবে, তার আগে বৈধতা নেই।
তা ছাড়াও ঐ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা জেসমিন বেগমের বিরুদ্ধে উপবৃত্তির অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রতিবেন পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
পরবর্তী বিষয়টি কয়েক বার উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হারুন উর-রশিদকে জানানো হলে, বিষয়টি তালবাহানা করে দিন ক্ষেপণ করেন।
আজ শনিবার উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা রিপনের সঙ্গে কথা বলে জানাযায়, ঐ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার স্বামী রফিকুল ইসলামকে সভাপতি পদে অনুমদন দিয়েছেন উপজেলা শিক্ষা কমিটি।
তিনি আরো জানান, রফিকুল ইসলামকে সভাপতি পদে না আনার জন্য উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আশিকুর রহমান, রিপন ও বিপ্লব হাসান (মদিনা) নিষেধ করলেও উপজেলা শিক্ষা কমিটি রফিকুল ইসলামকে সভাপতি পদে নির্বাচিত করেছেন।
আইন, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রধান শিক্ষিকার স্বামী রফিকুল ইসলামকে ভুয়া সভাপতি পদে নির্বাচিত করার বিষয়ে, আজ শনিবার দুপুরে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হারুন উর-রশিদের সঙ্গে কথা হলে, তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
মাস্টারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উপবৃত্তির অর্থ আত্মসাৎ ও ভুয়া সভাপতি গঠনের বিষয়টি দীর্ঘদিন থেকে বিভিন্ন অনলাইন ও প্রিন্ট পত্রিকায় নিউজ প্রকাশ হলেও উদ্ধর্তন কতৃপক্ষের নজর কারেনি।
পরবর্তী বিষয়টি রংপুর বিভাগীয় কর্মকর্তা ডিজির সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে, তিনি বিষয়টি দেখবেন বলে জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগী নির্বাচিত অভিভাবক সদস্য আতাউর রহমানের দাবি, বিদ্যালয়ের অনিযম ও দৃর্নীতি ধামাচাপা দিতে ভুয়া সভাপতি গঠন করেছেন জেসমিন আক্তার।
তাই শিক্ষা খাদ দৃর্নীতি মুক্ত করতে মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রীর সু-দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন অধিকার বঞ্চিত নির্বাচিত অভিভাবক সদস্যগণ

Leave A Reply

Your email address will not be published.