Ultimate magazine theme for WordPress.

ফারাক্কা লংমার্চের চেতনায় সর্বাত্মক জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলুন : এনডিপি।

0
৫২ Views

নিজস্ব প্রতিবেদক সানিফা নাহার শিমুঃ-

ভারতের কাছ থেকে ন্যায্য পানির হিস্যা আদায়ের দাবি জানিয়ে ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস পালনের আহ্বান জানিয়েছেন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এনডিপি চেয়ারম্যান খোন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা ও মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা।
আজ (১৬ মে) গণমাধ্যামে প্রেরিত এক বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, ১৯৭৬ সালের এই দিনে ভারত নির্মিত ফারাক্কা বাঁধের প্রতিবাদ এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী পদ্মার পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিতে মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে ফারাক্কা অভিমুখে লংমার্চ অনুষ্ঠিত হয়। মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে রাজশাহীর একটি মাদরাসার মাঠ থেকে লাখ লাখ জনতা ফারাক্কা বাঁধ অভিমুখে লংমার্চ শুরু করেন। ১৯৭৪ সালে মুজিব-ইন্দিরা চুক্তির মাধ্যমে ফারাক্কার বাঁধ চালু হয়। তারপর ১৯৭৬ সাল থেকে আজ পর্যন্ত চাহিদানুযায়ী পানির নায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিতই হচ্ছে বাংলাদেশ। অথচ ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের আগে, শীতকালের শুষ্ক মৌসুমেও পদ্মা নদী থেকে ৪০ হাজার কিউসেক পর্যন্ত পানি পেত বাংলাদেশ। দেশের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে জনদুর্ভোগের জন্য তারা ওইদিন লংমার্চ করে ভারত সরকারের কাছে প্রতিবাদ জানায়। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মহলের কাছে বিষয়টি তুলে ধরেন মহান নেতা মওলানা ভাসানী।
মজলুম জননেতার ফারাক্কাং লংমার্চের ৪৫ বছর পরও আমাদের শাসকগোষ্টি ফারাক্কা সমস্যা সমাধান ও পানির অধিকার তা আদায় করতে পারিনি। আমাদের জাতীয় জীবনে এমন একটা সংকট, এত বড় অন্যায় আমাদের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ-শাসকগোষ্টি চোখ বুঝে সহ্য করে যাচ্ছেন।
আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে উজানে একাধিক বাঁধ দিয়ে ভারত পানি প্রত্যাহার করে নেয়ায় ফাল্গুন-চৈত্র মাসে ফারাক্কা পয়েন্টেই পানির সংকট দেখা দেয়। এ অবস্থা চলতে থাকলে ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল মরুভূমি হতে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এনডিপি।
ঐতিহাসিক লংমার্চের মাধ্যমে একদিকে নদীমাতৃক বাংলাদেশের অস্তিত্ব সুরক্ষা, অন্যদিকে বাংলাদেশের উপর পরিচালিত পানি আগ্রাসনসহ বিভিন্ন মুখী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ব্যাপক ভিত্তিক জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলে বিশ্ব বিবেককে জাগ্রত করতে চেয়েছিলেন এবং তিনি তা করতে সমর্থও হয়েছিলেন।
তারা বলেন,‘ফারাক্কা লংমার্চ ছিল ভারতের পানি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিবাদ’ তাই এ দিনটি আজও শোষণ, বৈষম্য আর অন্যায়ের বিরুদ্ধে এবং দাবি আদায়ের পক্ষে বঞ্চিতদের প্রেরণার উৎস হয়ে আছে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.