Ultimate magazine theme for WordPress.

কুষ্টিয়ার হাউজিং হলুদ ঘরে বসেই চলে শীর্ষ সন্ত্রাসী গামার ভাই চমনের দখলদারিত্বের মিশন

0
৯০ Views

কুষ্টিয়ার হাউজিং হলুদ ঘরে বসেই চলে শীর্ষ সন্ত্রাসী গামার ভাই চমনের দখলদারিত্বের মিশন

জেলা প্রতিনিধি কুষ্টিয়া ঃঃ সাহারিয়া ইমন

গতকাল, কুষ্টিয়া, ২২সেপ্টেম্বর, ২০২০।। কুষ্টিয়া হাউজিং এলাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসী গামার ভাইয়ের দখলদারিত্ব রুখবে কে! হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলা আসামি গামার ভাই বকুল হোসেন ওরফে চমন ও তার ছোট ভাই বাবু হাউজিং এলাকায় জমি দখলের মিশন চলছেই । ইতিমধ্যে হাউজিং এস্টেট এর ডি ব্লকের সেভ হাউজ (হলুদ ঘর) ও তার পাশের ১৮ টি (২.৫ কাঠার প্লট) ও সেভ হাউজসহ পাশের প্রায় ১ বিঘা জমি দখল নিয়ে ঘেরা দিয়ে সেখানে চমন মুরগির ফার্ম তৈরী করেছে । পাশের জমিতে লাগানো হয়েছে ধান। হাউজিং এলাকার ঢাকা রোর্ড সংলগ্ন বড় দুইটি জলাশয়ও এখন তার দখলে।

 

গণপূর্ত বিভাগের একটি বাড়ি এখন তিনি দখল করে বসবাস করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে । এ ছাড়া হাউজিং এস্টেট এর পৌরসভার ময়লা ফেলার স্থানের পাশে সরকারি জায়গা দখল করে ঘর বানিয়ে ভাড়া দিয়েছে এই দখলবাজ। এনিয়ে চমন প্রায় কোটি টাকার সরকারি সম্পদ দখলে রেখলেও তার ভাই সন্ত্রাসী গামার ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়না।

একটি সূত্র জানায়, হাউজিং এলাকায় বিল্ডিং নির্মান, জমি কেনা-বেচাসহ কোন কিছু করতে হলে চমনকে দিতে ভুক্তভোগীদের গুনতে হয় মোটা অংকের চাঁদা। তার অনুমতি ছাড়া কোন কিছু করলেই চমনের বাহিনীদিয়ে চালানো হয় নানা ভাবে মির্যাতন। ঢাকা রোর্ডের পাশে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে গিয়ে চয়নের বাঁধার সম্মুখীন হতে হয় মালিকের।
হাউজিং এস্টেট এর বস্তির এক ৮০ বছরের বৃদ্ধা জানান, চমন ক্ষমতাধর এবং অনেক টাকা পয়সার মালিক। সে এই এলাকায় যা বলবে তাই হবে। এর আগে সেভ হাউজ (হলুদ ঘর) পিকলুর দখলে ছিল। চমন তার বাহিনী দিয়ে পিকলুকে উঠিয়ে দিয়ে নিজে দখল করে রেখেছে। পাশের প্লট গুলোও এখন চমনের দখলে। এছাড়াও ঢাকা রোর্ডের পাশের দু’টি জলাশয় ও পৌরসভার ময়লা ফেলার জায়গার কাছে ফাঁকা জায়গা দখল করে নির্মাণ করেছে ঘর। সেই ঘর থেকে ভাড়া উত্তোলন করে চমন।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেভ হাউজ (হলুদ ঘর) ও তার পাশ দিয়ে ঘিরে মুরগির ফার্ম করেছে চমন সেটা দেখাশোনার দায়িত্বে রয়েছে তার ছোট ভাই বাবু। এর সামনে ঢাকা রোর্ডের পাশে দুইটি জলাশয় দখল করে মাছ চাষ করছে চমন। পৌরসভার ময়লা রাখার জায়গার পাশে তিনটি ঘর করে ভাড়া দেওয়া রয়েছে। সেখান থেকে ১ হাজার টাকা করে ভাড়া তোলে চমন। সেখানে বসবাস কারি মান্নানের ছেলে জানান, আমার বাবা মান্নান কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার ঝাউদিয়া এলাকা থেকে এখানে এসে ভাড়া থাকেন।

 

হাউজিং এস্টেটের অফিস সূত্রে জানা যায়, ডি ব্লকের ১-২০টি (২.৫ কাঠা) প্লট এর আগে বরাদ্দ দেওয়ার জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়। পরে দুইটি প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। বাকি ১৮ টি প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। এবিষয়ে যারা সর্বোচ্চ দরদাতা ছিল তারা একটি মামলা করেছে। হাউজিং এস্টেট কতৃপক্ষও একটি মামলা করেছে। এই অবস্থায় কেউ ওই প্লট ব্যবহার করতে পারেন না। ওখানে গায়ের জোরে কিছু দুস্কৃতিকারী জায়গা দখল করে রেখেছে।

এদিকে বকুল হোসেন চয়নের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি এবিষয়ে আপনার সাথে কথা বলতে ইচ্ছুক না।

Leave A Reply

Your email address will not be published.