Ultimate magazine theme for WordPress.

কলারোয়ায় জোর পূর্বক ভাবে মৎস্য ঘের দখলের অভিযোগ

0
৯১ Views

আলমগীর কলারোয়া প্রতিনিধিঃকলারোয়ায় মৎস্য ঘের দখলের উদ্দেশ্যে গরিব কৃষকদের ভুল বুঝিয়ে সংঘর্ষ সৃষ্টির পায়তারা করছে ছাত্র শিবিরের সাবেক নেতা ফারুক, লিটন, মাহাবুবসহ ও অন্যান্যরা। কলারোয়া উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামের লীজ গ্রহীতা মৃত জোহর আলী মোড়লের ছেলে মোঃ আরিজুল ইসলাম, পিতা-আলহাজ্ব মোঃ হাবিবুর রহমানের ছেলে মোঃ মোখলেছুর রহমান, মৃত জোহর আলী মোড়লের ছেলে মো: নজরুল ইসলাম।

এ সময় বিলের জমির মালিকরা বাৎসরিক হারি নির্ধারণ করে মাছের ঘের করার জন্য আমাকে অনুরোধ করে। জমির মালিকদের অনুরোধে আমি আমার প্রতিবেশি মাস্টার হাবিবুর রহমানের ছেলে মোখলেছুর রহমান কে সাথে নিয়ে জমির মালিক ৭০জন এর মধ্যে ৬১ জন জমির মালিকদের নিকট থেকে ১০ বছরের জন্য জমি লীজ নিয়ে মাছের ঘের পরিচালনা করে আসছি। ইতিমধ্যে ৪ বছর অতিবাহিত হয়েছে। চুক্তি মোতাবেক সামনে এখনো ৬ বছর বাকী আছে। ইতিমধ্যে ঘেরের ভেড়িবঁাধ নির্মাণে ও পানি সেচের মেশিন ক্রয় বাবদ আমাদের ২০ লক্ষাধিক টাকা খরচ হয়ে গেছে। এমতাবস্থায় এলাকার জব্বার মোড়লের ছেলে ছাত্র শিবিরের ক্যাডার সাবেক নেতা প্রভাষক মোঃ ফারুক হোসেন, মোফাজুল হক ভোলার ছেলে শিবির কমর্ী লিটন, বিএনপি ক্যাডার মাহাবুবসহ মৃত ইসমাইল মোড়লের ছেলে জালাল, মুজিবর রহমানের ছেলে মমিন ফকির, শাজাহানের ছেলে হাফিজুর, মৃত মহাতাব গাজীর ছেলে শহিদুল গাজী গংরা আমাদের আর্থিক ক্ষয়-ক্ষতি করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠছে এবং মাছের ঘেরটি দখলে নেয়ার পায়তারা করছে জয়নগর ইউনিয়নের বস্তনপুর গ্রামের শিবির ক্যাডার মাষ্টার ফারুক, লিটন,ও বিএনপি ক্যাডার মাহাবুবসহ।

 

গোপন সুত্রে জানাযায় সাবেক শিবির ক্যাডার মাষ্টার ফারুকসহ তার সঙ্গীরা জয়নগর ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রাম ৪নং ওয়ার্ডে মৃত ইসমাইল মোড়লের ছেলে জালালউদ্দীন বাড়িতে বসে একাধিক বার জামাত-শিবিরের সদস্যদের নিয়ে পুনারায় শিবির সংগঠনের বৈঠক করে যাচ্ছে শুধূ জালালউদ্দীনের বাড়ি নই সে অন্যান্য জায়গার শিবিরের সদস্যদের সাথে বৈঠক করে যাছেন, সেই সাবেক শিবির ক্যাডার মাষ্টার ফারুক এলাকায় নাশকতা মূলক কার্যক্রম করে যাচ্ছে গোপনে। গোপন বৈঠক করে যাহাতে আগামীতে আওয়ামী লীগের উপর আক্রমন করতে পারে সেই ব্যাপারে সবর্দা প্রস্তুত থাকতে বলেন। বিএনপি ক্যাডার মাহাবুব একাধিক মামলার আসামী ২০১৪ সালে জামাত-শিবিরের সাথে মিলে গাছ কাটা, অগ্নি কান্ড , হত্যা আসামী ছিলেন।

 

আরও জানাযায় সাবেক শিবির ক্যাডার মাষ্টার ফারুক বামনখালী উচ্চ দ্বিমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে শিবির সদস্য হিসেবে করেন মাধ্যমিক পাশ করা পর্যন্ত।এরপর কলারোয়া সরকারী কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক ভর্তি হয়ে পুরাপুরি ভাবে জামাত -শিবিরের সংগঠনের সাথে কাজ করেন এবং কলেজে জামাত-শিবিরের বাহিনী তৈরি করার কাজে লেগে যান । এখন এলাকায় গরিব কৃষকদের ভুল বুঝিয়ে প্রতিহিংসা মুলক কার্যক্রম করে অসহায় গরিব দুখীদের জীবিকা থেকে বঞ্জিত করার জন্য পায়তারা করছে।

 

একাধিক জমিদাতাগন বলেন সাবেক শিবির ক্যাডার মাষ্টার ফারুক, লিটন,ও বিএনপি ক্যাডার মাহাবুবসহ তার বাহিনীর অত্যাচারে এলাকার গরিব দুখী মানুষরা অতিষ্ঠিত হয়ে পরছে। তারা বলেন এই সন্ত্রাসী বাহিনীর হাত থেকে আমাদের মত শতশত গরীব কৃষকদের রক্ষা করুন।

 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় কলারোয়া উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের বসন্তপুর মৌজা জেএলনং-১০৯ এবং ১১৩ নং খোর্দ্দ বাটরা মৌজার দাগে জমির পরিমান আনুমানিক ১২০বিঘা (বিল)। জমির মালিক ৭০জন এর মধ্যে ৬১ জন মৎস্য ঘের মো: নজরুল ইসলালকে দিতে সম্মত প্রকাশ করছে। ৬১ জন সম্মতকারীদের জমির পরিমান আনুমানিক ৯৮ বিঘা এবং অসম্মতকারীদের জমির পরিমান আনুমানিক ২০-২২ বিঘা।মৌজা জেএলনং-১০৯ এবং ১১৩ নং খোর্দ্দ বাটরা মৌজার দাগে যাহার চারি পাশে কয়েকটি করে মৎস্য ঘের তৈরি হয়েছে। সেই সকল ঘের মালিকগন বলেন আমার ঘের নষ্ট করে বা লক্ষাধিক টাকা ক্ষয় ক্ষতি করতে পারবো না। একাধিক গরীর কৃষকরা বলেন ঐ মৎস্য ঘের টি যদি বন্ধ হয়ে যায় তবে আমরা না খেয়ে মারা যাবো এবং আমাদের লক্ষাধিক টাকা ক্ষয় ক্ষতি হবে যাহা বলে বুঝানো যাবে না।

 

সরেজমিনে গিয়ে আরোও দেখাযায় প্রতিপক্ষরা পরিত্যাক্ত ওই ব্রিজ নিয়ে একটি মনগড়া ইস্যু সৃষ্টি করেছে খাল দিয়ে বিলের পানি বের হবে বলে প্রচার করলেও বাস্তবের চিত্র ভিন্ন। প্রকৃতপক্ষে যে খালের কথা বলা হচ্ছে সেটা ঐ ব্রিজ ও মৎস্য ঘের থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে। বিলের পানি খাল দিয়ে সরানোর চেষ্টা করলে ব্যক্তিগত ৫/৭ টি ঘেরের উপর দিয়ে খাল কেটে নিয়ে যেতে হবে। যাহা কোন অবস্থাতেই সম্ভব নয়। সকলের কাছে এটা প্রমাণিত হবে।

 

জমির মালিকদের নিকট থেকে সহি-স্বাক্ষর গ্রহণ পূর্বক মৎস্য ঘের পরিচালনা করে আসলেও প্রতিপক্ষরা এলাকার গরীব কৃষকদের ভুল বুঝিয়ে আসছে। তারা সরলমনা কিছু সংখ্যাক গরীর কৃষকদের সংঘবদ্ধ করে এলাকায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ সৃষ্টির পায়তারা চালিয়ে আসছে। নন জুডিসিয়াল ষ্টাম্পে শর্ত সমূহ মধ্যে বলা হয়েছে মেয়াদকালের মধ্যে উক্ত বিলের বা মৎস্য ঘেরের মধ্যে লীজ দাতাগন কোন প্রকার মাছ ধরিতে বা কোন প্রকার ক্ষতিসাধন করিতে পারিবেন না। দাতাগন যদি মৎস্য ঘেরে কোন প্রকার ক্ষয়ক্ষতি করার চেষ্টা করেন সেক্ষেত্রে বা লীজ গ্রহীতাকে সম্পূর্ন ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য থাকিবে।

 

লীজ গ্রহীতাগন বলেন এমতাবস্থায় বসন্তপুর বিলের মাছের ঘের নিয়ে দুষ্কৃতিকারীদের কথায় কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। একই সাথে ঘের নিয়ে এলাকায় শান্তি শৃংখলা বিনষ্টকারীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি ও আমরা যাহাতে জমির মালিকদের চুক্তি অনুযায়ী হারি প্রদান করে আগামী ৬ বছর মাছের ঘের পরিচালনা করতে পারি তার সুস্থ্যতা গ্রহণের জন্য মাননীয় জেলা প্রশাসকের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.