Ultimate magazine theme for WordPress.

পীরগঞ্জের ধর্মদাসপুর মাদ্রাসায় চলছে জাল সনদে শিক্ষক নিয়োগের নামে প্রতারণা।

0
৫১ Views

 নিজস্ব প্রতিবেদক এলিজা পারভীন (লিজা
ঃ রংপুরের জেলায় পীরগঞ্জে চলছে করোনার আগামনে অবৈধ ব্যবসায় ভূয়া সনদপত্রে শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগ। ইউএনও’র বরাবরে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। উপজেলার ধর্মদাসপুর আমিনিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে ফেদৌসী আক্তার নামের এক প্রার্থীকে শিক্ষিকা পদে চাকুরি দেয়ার নামে পর্যায়ক্রমে ৭ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ অস্বীকার দাখিল করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার সকালে ভুক্তভোগি ওই শিক্ষিকা এ অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয় উপজেলার তাঁতারপুর গ্রামের গোলাম মোস্তফার স্ত্রী ফেরদৌসী আক্তারকে উক্ত মাদ্রাসা সুপার নজরুল ইসলাম জুনিয়র সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়ার প্রস্তাব দেয়। এতে ফেরদৌসী আক্তার এনটিআরসি সনদ না থাকায় নিয়োগ পেতে অসম্মতি জ্ঞাপন করে। পরবর্তীতে উক্ত মাদ্রাসা সুপার নজরুল ইসলাম ভুক্তভোগীর নিয়োগ প্রক্রিয়ার সকল দায়িত্ব নিয়ে বেতন-ভাতা করার শতভাগ নিশ্চয়তা প্রদান করে। বিভিন্ন কৌশল ও প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভুক্তভোগি শিক্ষিকা ও তার পরিবারের কাছ থেকে পর্যায়ক্রমে ৭ লাখ টাকা গ্রহন করে। পরে মাদ্রাসা সুপার নিজেই এনটিআরসিএর ভুয়া সনদ সংগ্রহ পুর্বক নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ফেলেন এবং নিয়োগ প্রাপ্ত দেখিয়ে শিক্ষিকা ফেরদৌসী আক্তার বিগত ২৩/১০/১১ইং তারিখ হতে উক্ত মাদ্রাসায় জুনিয়র শিক্ষকা হিসেবে নিয়মিত পাঠদান শুরু করেন। এমতাবস্থায় গত ২০১৯ইং সনের শেষের দিকে সুপার নিয়োগ প্রাপ্ত শিক্ষিকাকে স্রেফ জানিয়ে দেয় তার বেতন-ভাতাদি করা সম্ভব হচ্ছে না। উক্ত শিক্ষিকা বিষয়টি চাইলে সুপার বলেন- জাল সনদপত্র দাখিল করার কারনে বেতন-ভাতাদি করা যাচ্ছে না। ফলে ফেরদৌসী তার শশুর ও প্রতিবেশিসহ সুপারের নিকট প্রদানকৃত ৭ লক্ষ টাকা ফেরত চাইতে গেলে সুপার জানিয়ে দেয় নিয়োগ ও সনদের পিছনে আপনার কাছ থেকে নেয়া টাকা খরচ হয়ে গেছে। এখন আর টাকা ফেরত দেয়া সম্ভব না। এই টাকা নিতে হলে আমাকে সময় দিতে হবে। এ পর্যায়ে উক্ত টাকা উদ্ধারে সুপারের কাছে ধর্না দিয়েও টাকা উদ্ধার না করতে পেরে অবশেষে গতকাল মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাসহ স্থানীয় সংসদ সদস্য এর কাছে লিখিত অভিযোগ করেছে। এব্যাপারে উক্ত মাদ্রাসার সুপার নজরুল ইসলামের কাছে জানতে চাওয়া হলে বলেন- শিক্ষিকা ফেরদৌসী আক্তারের কাছে টাকা নেয়ার বিষয়টি সত্য নয়। তবে তাকে সহকারি শিক্ষিকা পদে চাকুরিতে নিয়োগ দিয়েছিলাম সত্য। এদিকে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমকে জিঞ্জেস করা হলে বলেন- টাকা নেয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে ওই শিক্ষিকাকে মাদ্রাসায় নিয়োগ দেয়া হয়েছিলো। জাল সনদপত্রের কারনে তার বেতন-ভাতা করা সম্ভব হয়নি। এ সম্পর্কে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল মমিন মন্ডল বলেন- অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিরোদা রানী রায় বলেছেন- অভিযোগেটি এখনও হাতে পাইনি। তবে পেলেই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.