পিরোজপুর মঠবাড়িয়া শীর্ষ সন্ত্রাসী মিজানুর রহমান তালুকদার নিজেকে দ্বিতীয় এরশাদ শিকদার দাবি করে এলাকায় তৈরি করেছেন ভাইয়া বাহিনী, স্থানীয় মানুষের সাথে কথা বললে নাম প্রকাশ করতে ইচ্ছুক না-হওয়া কয়েকজন মুরুব্বি বলেন স্বাধীনতার পরে আমরা এরকম তান্ডব মঠবাড়িয়া উপজেলায় দেখেনি যা বিগত ০৫,০৮,২০২৪ ইংরেজি তারিখ এর পরে মিজানুর করেছে, অনুসন্ধানে জানাযায় মিজানুর রহমান মঠবাড়িয়া উপজেলা দাউদখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি তিনি আওয়ামীলীগ সরকারের সময় আওয়ামীলীগের সংসদ সদস্য নেওয়াজ মোঃ শামীমকে সাপোর্ট করে সরাসরি দলিয় সিদ্ধান্ত মানেননি তিনি, এরপর বিগত ০৫,০৮,২০২৪ তারিখ আওয়ামিলীগ সরকারের পতন ঘটলে তিনি পুনরায় বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে শুরু করেন চাঁদাবাজি ভূমি দখল মাদক ব্যাবসা বালু মহল দখল একজনের জমি অন্য জনকে দখল করে দেওয়া থেকে সবধরনের অপকর্মে লিপ্ত হন আর এসকল অবৈধ কর্মকান্ড পরিচালনা করার জন্য তৈরি করেন ভাইয়া বাহিনী যার প্রধান মিজানুর রহমান, সেকেন্ড ইন কমান্ড ভাইয়া বাহিনীর দায়িত্ব পালন করেন মিজানুর এর শালা জাকির হোসেন ইব্রাহিম হাবিবউল্লাহ আসাদ জোমাদ্দার বাবু জোমাদ্দার সহ প্রায় ৭০ ৮০ সদস্য বাহিনী, এদের মূল কাজ হচ্ছে জমিজমা নিয়ে দুই পক্ষের সঙ্গে বিরোধ থাকলে এক পক্ষের কাছে থেকে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে জমি দখল করে দেওয়া, সাধারণ নিরিহ ছেলেদের মাদক ব্যাবসা করতে বাধ্য করা, কোথাও বালু ভরাটের কাজ হলে ৫০% কমিশন নেয়া, বাজার ঘাটের অলিখিত ভাবে মালিক দাবি করা,রাজারহাট গরুর বাজারের ইজারাদার জানান বাজারের দিন মিজানুর তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে এসে প্রায় লক্ষাধিক টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যান দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রসহ, স্থানীয় সমাজ সেবক জাকির সরিফ জানান এলাকার গরু চুরি করে তার টাকা জমা হয় মিজানুর এর কাছে তারপর সকল চোর সদস্য ডেকে ইচ্ছে মতো তাদের ভাগ করে দেন যার সিংহ ভাগ রেখে দেন মিজানুর, স্থানীয় বেল্লাল হোসেন জানান তার জমি নিয়ে তারই বাড়ির আনোয়ার এর সাথে আদালতে মামলা চলে অথচ সেই মামলার তোয়াক্কা না করে আনোয়ার কে জমি জোরপূর্বক দখল করে দেন মিজানুর সহ তার বাহিনী , দাউদ খালী ইউনিয়ন এর দেবত্র গ্রামের মৃত্যু ইলিয়াস এর ছেলে মোটরসাইকেল ভাড়ায় চালিয়ে কোন মতে বৃদ্ধ মা ও ২ সন্তান স্ত্রী নিয়ে সংসার চালান,ইদ্রিস এর মৃত্যু বাবা শুধু বসতবাড়ি থাকার মতো সামান্য জমি রেখে মারা যায়, সেই জমির উপর নজর পরে ইদ্রিস এর দুর সম্পর্কের চাচা আল-আমীন এর, আল-আমীন সৌদি প্রবাসী হওয়ার কারনে তার অনেক টাকা পয়সা তাই সন্ত্রাসী মিজানুর কে কন্টাক্ট করেন ইদ্রিস এর জমি দখলের জন্য, তিনলক্ষ টাকার চুক্তির বিনিময়ে মিজানুর আল-আমীন কে ইদ্রিস এর জমি দখল করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, তারপর ৩০,৩৫ টি মোটরসাইকেল যোগে মিজানুর তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে ইদ্রিস এর বাড়িতে হামলা চালায় ইদ্রিস বাড়িতে না থাকায় ইদ্রিস এর বৃদ্ধ মা এবং স্ত্রী কে মারধর করে ২৪ ঘন্টার আলটিমেটাম দিয়ে বাড়ি ছাড়তে বলেন এর মধ্যে স্থানীয় কেউ ৯৯৯ নাইনে ফোন করে ঘটনা জানালে মঠবাড়িয়া থানা থেকে পুলিশ আসতে আছে সংবাদ পেয়ে মিজানুর তার দলবল নিয়ে সটকে পড়েন, এরকমের অসংখ্য অপকর্মের সাথে জড়িত মিজানুর, এই বিষয় সাংবাদিক নিজাম উদ্দিন পত্রিকায় নিউজ করলে তার বিরুদ্ধে মঠবাড়িয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন, মিজানুর রহমান এবং সাংবাদিক নিজাম উদ্দীন কে দেখে নেয়ার হুমকি প্রধান করেন, এইসকল অবৈধ কর্মকান্ডের সাপোর্ট করেন মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্লাহ আল-মামুন ও এসআই শহিদ, কারণ মিজানুর এর বিরুদ্ধে যে কয়জন লোক প্রতিবাদ করেছে তাদের সকলকে মিথ্যা বানোয়াট মামলা দিয়ে জেল হাজতে পাঠিয়েছে ওসি আব্দুল্লাহ আল-মামুন আর সকল মিশন পালন করেন এসআই শহিদ, এই এসআই শহিদ মঠবাড়িয়া থানায় এই নিয়ে ৩ বার পোস্টিং করান কারন মঠবাড়িয়া উপজেলার সকল অবৈধ কর্মকান্ডের হোতাদের কাছে থেকে প্রতি মাসে মাসহারা পান কয়েক লক্ষ টাকা।