Ultimate magazine theme for WordPress.

একুশের প্রথম প্রহরে শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছেন বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদ।

0
১৪৪ Views

হাফিজুর রহমান নিজস্ব প্রতিবেদকঃ-

চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ প্রাঙ্গনে রাত ১২ঃ০১ মিনিটে চুয়াডাঙ্গা জেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা আন্দোলন ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদ চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার পক্ষ থেকে শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধাজ্ঞলি অর্পন করেন বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদ চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সভাপতি মেহেদী হাসান হিমেল মল্লিক ও সাধারণ সম্পাদক ওয়াসি হাসান রাজিব।
এসময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদের সাবেক আহবায়ক সাইফুল ইসলাম রানা,বর্তমান সহ সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মিন্টু,যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ হোসেন,সাংগঠনিক সম্পাদক তানজিল হোসেন বারেক,শাফায়েত বাবু, দপ্তর সম্পাদক আল নোমান,ধর্মি বিষয়ক সম্পাদক রামিম হোসেন,শাওন,সদস্য মিরাজ,করিম,মুস্তাফিজুর,আলমডাঙ্গা উপজেলা বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদ নেতা রিমন,মারশেদ শিবলী,দামুড়হুদা উপজেলা বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদ নেতা এস এম সুমন,মাসুম,জীবননগর উপজেলা বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদ সভাপতি মামুন,সাধারণ সম্পাদক পিয়াল প্রমুখ।

এ সময় ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী আমি কি ভুলিতে পারি’ গানের সুর বাজতে থাকে। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

ভাষা আন্দোলন দমন করতে ১৯৫২ সালের আজকের এই দিনে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সরকার ঢাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে। ছাত্ররা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে মিছিল করেন। সেই মিছিলে গুলি চলে। গুলিতে শহীদ হন সালাম, রফিক, বরকত, জব্বার। তাঁদের স্মরণেই দেশবাসী এই শহীদ মিনারের সামনে এসে বিনম্র শ্রদ্ধা জানায়। শ্রদ্ধা-ভালোবাসার ফুলে ছেয়ে যায় মিনারের বেদি।

মহান একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতীয় জীবনে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। ভাষার দাবিতে পৃথিবীর একমাত্র বাঙালি জাতি প্রাণ দিয়েছেন। অতীত থেকেই আমরা শোষণ এবং বঞ্চনার শিকার। পরবর্তীতে যখন পাকিস্তানি সরকার আমাদের ভাষার উপর আঘাত হানল তখন আমাদের দেশের ছাত্র সমাজ এবং অন্যান্য সকল পর্যায়ের মানুষ সেই দাবি মেনে নেয়নি। কেননা মাতৃভাষার প্রতি কথা বলার দাবি যদি কেড়ে নেওয়া হয় তাহলে কোন জাতি কখনো তা মেনে নিতে পারে না। সেই লক্ষ্যে মাতৃভাষাকে উজ্জীবিত করার জন্য ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালি দামাল ছেলেরা নিজেদের প্রাণ বিসর্জন করে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.