খুলনা মহানগরীর দৌলতপুর থানাধীন মহেশ্বর পাশা কেন্দ্রীয় খাদ্য সংরক্ষণাগার (সিএসডি) গোডাউনের খাদ্য পণ্য সরবরাহের চলাচলের রাস্তার বেহাল অবস্থা। বিষয়টি নিয়ে যেনো কতৃপক্ষের কোন মাথা ব্যাথা নেই। গুদামের সামনের রাস্তার পাশ দিয়ে যে সকল ড্রেন আছে,সেই সমস্ত ড্রেন ভেঙ্গে পানি নিষ্কাশন বন্ধ হয়ে জলবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে।
অন্য দিকে ঐ রাস্তা দিয়ে মালামাল আনা নেওয়া ঝুঁকি পুর্ন হয়ে পড়েছে।
একটি সুত্রে জানাগেছে,ম্যাক্স কোম্পানির মালামাল নিয়ে ভারি ভারি গাড়ি যাতায়াতের কারণে রাস্তা নষ্ট হয়েছে। শুধু তাই নয়। সিএসডির রাস্তা ও ড্রেনের পাশাপাশি বৈদ্যুতিক খুটিগুলো ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় আছে।
সিএসডি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ আরিফ হোসেন সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপ কালে জানান,সিএসডির গেটের সামনে এবং ভিতরে কয়েকটি রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। রাস্তার বড়ো বড়ো গর্ত হয়েছে। ড্রেনগুলো ভেঙ্গে পানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। যে কারণে একটু বৃষ্টি হলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। ভিতর দিয়ে ট্রাক ঠিকমতো আসা যাওয়া করতে পারেন। এবিষয়ে মোশাররফ স্যারকে বার বার বলেছি। তিনি বলেন, এ সম্পর্কে আমি বার বার কতৃপক্ষকে চিঠির মাধ্যমে অবহিত করেছি।
সার্বিক বিষয় সিএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মোশারফ হোসেন বলেন, সিএসডির ভিতর সাইলো নির্মাণ করার সময় নির্মাণ সামগ্রী সরবরাহ করার জন্য বেশির ভাগই রাস্তা ঘাট
ভেঙ্গে গিয়ে চলাচলের অনুপোযোগী হয়। অন্যদিকে, সিএসডির বহু বছরের অফিস বিল্ডিং ও আবাসিক কোয়ার্টার তৈরি হওয়ার কারণে বিল্ডিং গুলি ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। যেকোন মুহুর্তে বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
তিনি গত ২০২৪ সালে ৯ এপ্রিল যোগদানের পর থেকে খাদ্য সংরক্ষণাগার এলাকায় লোক ও জনবল (নিরাপত্তা বাহিনী) কম থাকার কারণে সিসি ক্যামেরার আওতায় এনে অতিরিক্ত সিকিউরিটির ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। এছাড়াও চলতি বছরে খাদ্য সংগ্রহের লক্ষমাত্রা শতভাগ পুরণ করেছেন। তিনি আরও বলেন,খাদ্য সংরক্ষণ ব্যবস্থা ৬৪ টি গুদাম থাকা সত্ত্বেও ৪৭টি গুদাম সচল আছে। বাকি গুদাম গুলি সংরক্ষণের যোগ্য নয়, ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। এছাড়া নতুন করে কয়েকটি গুদাম তৈরি হচ্ছে। তিনি কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন,তাড়াতাড়ি যেন রাস্তা ও ড্রেন মেরামত করা হয়। তা না হলে মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে মালামাল লোড আনলোড করা হচ্ছে।