Ultimate magazine theme for WordPress.

পটিয়া ছনহরায়  ইদ্রিস মিয়া, ভট্টাচার্য্য, সর্দার পাড়া সড়কের বেহালদশা দুর্ভোগ চরমে 

0
৭০ Views

সেলিম চৌধুরী স্টাফ রিপোর্টারঃ–    

পটিয়া উপজেলার  ছনহরা ইউনিয়নের ইদ্রিস মিয়া সড়ক এবং একই ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ভট্টাচার্য্য সড়ক ও সর্দার পাড়া সড়কের বেহালদশা। দেখে মনে হচ্ছে রাস্তাগুলো মৃত্যুর ফাঁদ।  রাস্তা ভেঙ্গে বড় পুকুরের চারিদিকে বিলিন হয়ে গেছে  । এক সময় পটিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান থাকাকালে আলহাজ্ব ইদ্রিস মিয়া রাস্তাটি  সংস্কার করেছিল। বিগত ৫ বছরে কোন উন্নয়ন ছুঁয়া লাগেনি। বিষয়টি ২ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার মোস্তাক কে একাধিকবার এলাবাসী জানালেও রাস্তাটি সংস্কার করার জন্য কোন উদ্যােগ নেয়নি। ফলে সর্দার পাড়া এবং ভট্টাচার্য্য পাড়ার হাজার হাজার চলাচল করতে চরমভাবে দু্র্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এমনকি এলাকার নারী পুরুষের অভিযোগ গত ২/৩ বছর রাস্তা ভেঙ্গে যাওয়ার কারণে বড় পুকুরে পড়ে তিন শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বৃষ্টি পডলে ঘর থেকে বের হতে পারেনা সর্দার পাড়া ভট্টাচার্য্য  পাড়ার লোকজন। এমনকি গাড়ি চলাচল বন্ধ। কোন রোগী অসুস্থ হলে হয়তোবা ডেলিভারি রোগী কোলে করে নিতে কষ্ট সীমাহীন কষ্ট হয়। এছাডাও ইদ্রিস মিয়া সড়কের    পানি নিষ্কাশনের কালভার্ট না থাকায় কয়েক হাজার একর জমিতে জলাবদ্ধতায় চাষাবাদ ব্যহত হচ্ছে। এবং রাস্তার উপর দিয়ে বর্ষাকালে পানি প্রবাহিত হওয়ায় কাপেটিং, ব্রিক সলিং ও কাচা রাস্তা ভেঙ্গে গিয়ে বড় বড় গর্তে পরিণত হয়েছে। ফলে এলাকার জনসাধারনকে চলাচলে দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। এতে সরকারের লাখ লাখ টাকা অপচয় হচ্ছে। এলাকাবাসীরা সড়ক গুলোতে কালভার্ট নির্মাণ করে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে জলাবদ্ধতা দূরীকরণ করে চাষাবাদে উপযোগী করার জন্য সরকারের নিকট দাবি জানিয়েছেন। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,  বর্ষা মৌসুমে পানি চলাচলের জন্য কোন কালভার্ট না থাকায় আশে-পাশের এলাকাগুলো জলাবদ্ধতার সৃষ্ঠি হয়। ২ নম্বর ওয়ার্ডে কয়েকটি গ্রাম পানিতে ডুবে গিয়ে  ব্রিক সলিং, কাপেটিং রাস্তাগুলো ভেঙ্গে গিয়ে বড় বড় গর্তে পরিণত হয়। এলাকাবাসীরা অভিযোগ করেন, এ সড়কে পানি চলাচলের কয়েকটি পুরানো নালা থাকলেও পানি নিস্কান হচ্ছে না এলাকার লোকজনের দাবি।  বর্ষাকালে এলাকায় জলাবদ্ধতা হয়। ছনহরা ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সর্দার পাড়া ভট্টাচার্য্য পাড়ার আশে পাশের বেশ কয়েটি রাস্তার বেহাদশা দেখে মনে হয় এলাকাটি দীর্ঘদিন উন্নয়ন বঞ্চিত। যেন কেউ দেখার নেই। বর্ষাকালে রাস্তার উপর দিয়ে পানি চলাচল করায় রাস্তা ভেঙ্গে গিয়ে জনসাধারনকে দূর্ভোগের শিকার হতে হয়। এর ফলে বিগত ১০ বছর ধরে ছনহরা উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিম ও পাশ্ববর্তী আশিয়া ও বাতুয়া গ্রামের প্রায় ২ হাজার একর জমিতে চাষাবাদ ব্যহত হচ্ছে। এ সড়কের কয়েকটি স্থানের কালভার্ট নির্মিত হলে এলাকাবাসী চাষাবাদ ও বর্ষাকালের জলাবদ্ধতার থেকে মুক্তি পাবে।এ ব্যাপারে ছনহরা ইউপি চেয়ারম্যান আবদুর রশিদ দৌলতির সাথে একাধিকবার ফোন করে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   জানায়ায়, ছনহরা ইউনিয়নের আলমদার পাড়া রাস্তার মাথা থেকে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ইদ্রিস মিয়া সড়ক, ছিকন খলিফা (রা:) সড়ক থেকে ভাটিখাইন ঠেগঁরপুনি সড়ক পর্যন্ত এবং চাটরা বরিয়া রামহরি দাশ সড়ক হইয়ে কচুয়াই ইউপি‘র ভাইয়ারদিঘির পাড় পর্যন্ত ৩টি সড়ক বৃষ্টি’র পানিতে ভেঙ্গে গিয়ে রাস্তায় কাপেটিং, ব্রিক সলিং উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তে পরিণত হয়েছে। এ সড়ক দিয়ে ছনহরা ইউনিয়নসহ আশিয়া, কচুয়াই, ভাটিখাইন ইউনিয়নের জনসাধারনের চলাচলের দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এ সড়কে কালভার্ট না থাকায় বর্ষামৌসুমে রাস্তার উপর দিয়ে পানি চলাচল করে থাকে। বিশেষ করে ছনহরা ইউনিয়ন ২ নম্বর ওয়ার্ডের ভট্টাচার্য সড়ক সর্দার পাড়ার দ্রুত সংস্কার করে ও কয়েকটি কালভার্ট নির্মাণের জন্য  জাতীয় সংসদের  হুইপ পটিয়ার এমপি  সামশুল হক চৌধুরী, পটিয়া উপজেলার চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোতাহারুল ইসলাম চৌধুরী, প্রকল্প

কর্মকর্তা  মহোদয়ের সু-দৃষ্টি কামনা করেন এলাকাবাসী।

Leave A Reply

Your email address will not be published.