Ultimate magazine theme for WordPress.

৮৬ বছর পর তুরস্কের হায়া সোফিয়ায় প্রথম নামাজ

0
২১৭ Views

তুরস্কের ইস্তাম্বুলে ঐতিহ্যবাহী হায়া সোফিয়া নামক স্থাপনাটিকে পুনরায় মসজিদ হিসেবে খুলে দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) জুমার নামাজের মধ্য দিয়ে পুনরায় মসজিদ হিসেবে খুলে দেওয়া হলো ঐতিহাসিক এ স্থাপত্যটি। এদিকে ৮৬ বছর পর স্থাপনাটি “ফিরে পাওয়ার” আনন্দে মসজিদ প্রাঙ্গণ ও তার আশেপাশে সামাজিক দূরত্ব মেনে নামাজ পড়তে দেখা প্রচুর মানুষকে। এসময় উপস্থিত ছিলেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান নিজেও।

শুক্রবার নামাজের সুবিধার্থে নারী ও পুরুষদের জন্য আলাদা জায়গার ব্যবস্থা করা হয়। এসময় ৭০০ জনেরও বেশি স্বাস্থ্যকর্মী, ১০১টি অ্যাম্বুলেন্স ও হেলিকপ্টার অ্যাম্বুলেন্সেরও ব্যবস্থা করা হয়। এরআগে বৃহস্পতিবার তুরস্কের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, নামাজ পরিচালনার জন্য ৩ জন ইমাম নিযুক্ত করেন। আজানের জন্য মুয়াজ্জিন হিসেবে ৫জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

দুই সপ্তাহ আগে দেশটির আদালতে ঘোষণার ভিত্তিতে ১৫শ’ বছরের পুরোনো এ স্থাপনাটি মসজিদ হিসেবে মুসলিমদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার ঘোষণা দেন এরদোয়ান। তবে, বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে ইউনেস্কো স্বীকৃত এ স্থাপত্যটিকে আবারও মসজিদে রূপ দেওয়ায় বেশ সমালোচনার জন্ম দিয়েছেন এরদোয়ান। হতাশা প্রকাশ করেছেন পোপ ফ্রান্সিসও।

প্রসঙ্গত, খ্রিষ্টীয় ষষ্ঠ শতকে বাইজেন্টাইন সম্রাট প্রথম জাস্টিনিয়ানের নির্দেশে প্রথমে স্থাপনাটি গির্জার জন্য নির্মাণ করা হয়, এরপর ১৪৫৩ সালে ইস্তাম্বুল অটোমান সাম্রাজ্যের সাম্রাজ্যের আওতায় এলে এটি মসজিদে রূপান্তরিত করা হয়। পরবর্তীতে কামাল আতাতুর্ক দেশটির প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্বগ্রহণের পর ১৯৩৪ সালে এটি জাদুঘরে রূপান্তর করেন।

গতবছর মসজিদকে জাদুঘর হিসেবে রূপান্তরিত করার বিষয়টিকে একটি বড় ভুল হিসেবে আখ্যায়িত করেন ১৭ বছর ধরে দেশটির ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান।

Leave A Reply

Your email address will not be published.