Ultimate magazine theme for WordPress.

পোরশায় শৈত্য প্রবাহ কাটিয়ে আবারো কৃষক নেমেছে মাঠে।

0
১৭০ Views

নাহিদ নওগাঁ (পোরশা)প্রতিনিধিঃ

শষ্য ভান্ডার হিসেবে খ্যাত উত্তর’বঙ্গের জেলা নওগাঁ। ইরি-বোরো আবাদে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক চাষিরা। তবে প্রচণ্ড শীত ও কুয়াশার কারণে রোপণে কিছুটা বিঘ্ন হচ্ছে। আবহাওয়া ভালো হওয়ার অপেক্ষায় করছেন চাষিরা। এ’বছর ধানের দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকদের মাঝে কিছুটা উচ্ছাস দেখা গেছে।

পোরশা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, এ’বছরে (ইরি-বোরো) আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ টার্গেট করা হয়েছে ৮ হাজার ৫০০ হেক্টর। বীজতলার লক্ষ্যমাত্রা ৮ হাজার ৫০০ হেক্টর হলেও ইতি মধ্যে প্রায় ৪ হাজার ২০০ হেক্টর চারা রোপণ করা হয়েছে গত কয়েকদিন থেকে সূর্যের দেখা মিলছে না। ঘনকুয়াশার সঙ্গে হালকা বাতাসে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। প্রচণ্ড শীতে জরসরো হয়ে পড়েছিলো মানুষ ও গৃহপালিত পশু।

৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াম তাপমাত্রা। শীতের কারণে ইরি-বোরো রোপণে বিঘ্ন হচ্ছে। শীতকে উপেক্ষা করে কাজ করছেন চাষিরা। কয়েকদিন দেরিতে চারা রোপণ করলে পিছিয়ে পড়তে হবে এ’জন্য অনেকেই শ্রমিক নিয়ে এখনই চারা রোপণ করছিলেন।

পোরশা উপজেলা নিতপুর ইউনিয়নে তলা গানইর, খোর্দ্দ গানইর বৈদ্যপুর,বালাশহিদ, সুহাতী,নিতপুর, পশ্চি রঘুনাথাপুর টেকঠা ও দোয়ারপাল গ্রামের কৃষকদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনারা বলেন জমিতে চারা রোপণ করতে হবে। জমি প্রস্তুত করে অর্ধেক জমিতে চারা রোপণ করা হয়েছে। এরপর থেকে প্রচণ্ড’শীত ও কুয়াশা দেখা দিয়েছে। জমিতে চারা রোপণের পর নষ্ট হওয়ার উপক্রম হচ্ছে। তাই আজ আবহাওয়া ভালো হওয়াই আবারো জমিতে চাষাবাদ করার জন্য মাঠে নেমেছি ।

বিভিন্ন এলাকা থেকে আশা ও স্হানীয় কৃষকেরা ইরি-বোরো ধান রোপণ করতে নওগাঁর পোরশা উপজেলায় নিতপুর ইউনিয়নে, ইউনিয়নের বিভিন্ন পয়েন্ট তারা তাবুতে অবস্থন করছেন, সকালে অনেক কুয়াশা ও শৈত্য প্রবাহ থাকার কারণে, পানিতে কাজ করতে শরীর জোড়সোড়ো হয়ে যায়। অনেক সময় আগুন পোহাতে হতো, এতো শীতের মধ্যেও পেটের তাগিদে কাজ করে যাছিলাম। সকাল ৬টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কাজ করে ৩শ টাকা পাওয়া যায়। শীতের কারণে কাজ করতে না পেরে ১ সপ্তাহিক ধরে বসে,
আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানাই আজ (মঙ্গলবার) থেকে আবহাওয়া ভালো হওয়াই আবারো জমিতে ধান রোপণ করা শুরু করেছি।

পোরশা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জনাব মোঃ মাহফুজুল আলম বলেন, আবহাওয়া ভালো না হওয়া পর্যন্ত কৃষকদের চারা রোপণের জন্য অপেক্ষা করতে বলা হয়েছিলো তা এখন আবহাওয়া অনুকুলের মধ্যে তাই কৃষকেরা ধন রোপণের কাজ চালিয়ে যাছে । এবার আমোন ধানের দাম ভালো পেয়েছেন পাশাপাশি সরিষার বাজার ভালো থাকায় কৃষকদের মাঝে ব্যাপক হাসির ছুয়া দেখা গেছে। তবে শেষ পর্যন্ত ধানের আবাদ বেশি হবে এবং কৃষকরা লাভবান হবেন বলে আশাবাদী তিনি।

Leave A Reply

Your email address will not be published.