Ultimate magazine theme for WordPress.

বগুড়ায় অপহৃত শিশুর লাশের সন্ধান দিল অপহরণকারী!

0
৩৭ Views

স্টাফ রিপোর্টার:

বগুড়ার গাবতলী উপজেলা রামেশ্বরপুর ইউনিয়নের নিশুপাড়া গ্রামে মুক্তিপণের দাবিতে মুক্তিপন না পেয়ে অপহরণ করা শিশু হানজেলা (৬) কে হত্যা করে বাড়ির কাছে পুকুরে মৃতদেহ ফেলে রেখে গেছে অপহরণকারীরা | অপহৃত শিশু হানজেলা ঐ গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী পিন্টু মিয়ার ছেলে।
অবশেষে মুক্তিপণ না পেয়ে দেড় মাস পর অপহরণকারী নিজেই ফোন করে হানজালার লাশের সন্ধান দেয় তার পরিবারকে।
অপহরণকারীর ফোনের সূত্র ধরে গত বৃহস্পতিবার ( ২১ জানুয়ারি) রাতে শিশুটির মৃতদেহ বাড়ির পাশের পুকুরে থেকে উদ্ধার করা হয়।

রামেশ্বরপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও নিশুপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মানিক মিয়া জানান, গত ১৩ ডিসেম্বর বাড়ির পাশে খেলতে যায় শিশু হানজেলা ৷ সেসময় তাকে অপহরণ করে অপহরণকারী |ঘটনার দিনই বিষয়টি নিয়ে থানায় জিডি করা হয়। ছেলে অপহরণের খবর পেয়ে দুদিন পর হানজেলার বাবা ম্যালেশিয়া থেকে দেশে ফিরে আসেন। এদিকে ওই শিশুর মা তাছলিমার কাছে মোবাইলে ফোন করে প্রথমে ৫ লাখ টাকা দাবি করে ও পরে ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারী। টাকা না দিলে ছেলেকে হত্যা করা হবে বলে জানায় অপহরণকারী । শিশুটির বাবা-মা অপহরণকারীর মোবাইল নম্বর নিয়ে থানা পুলিশের কাছে ধর্না দেন। কিন্তু গত ১ মাস ১০ দিনেও শিশুটি উদ্ধার কিংবা অপহরণকারীকে গ্রেফতার করতে পারেনি গাবতলী মডেল থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় যে নাম্বার থেকে মুক্তিপণ চাওয়া হয়েছিল সেই একই নাম্বার থেকে শিশুটির মাকে ফোন করে টাকা না পাওয়ায় তার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানানো হয়। সেই সাথে তাদের বাড়ির পাশের পুকুরে মৃতদেহ আছে বলেও জানায় অপহরণকারী। পরে পুকুর থেকে পলিথিনে মোড়ানো এবং ইট বেঁধে পানিতে ডুবে রাখা মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ বিষয়ে গাবতলী মডেল থানার ওসি নূরুজ্জামান জানান, ঘটনা জানানোর পর মোবাইলের সিডি আর বের করে লোকেশন ট্যাগ করা হয়েছে ৷ ভূয়া নাম ব্যবহার করায় সঠিক লোকেজন বের করা সম্ভব হয়নি ৷ লাশটি উদ্ধার করে ময়নাদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে ৷ অপহরনকারীকে যেই হোক তাকে ধরতে চেষ্টা করছে পুলিশ

Leave A Reply

Your email address will not be published.