Ultimate magazine theme for WordPress.

করোনার সংকটময় কালেও দূর্নীতি থেমে নেই সুন্দরগঞ্জে সরকারী বরাদ্দের সিংহভাগ অর্থ ঘাপলা।

0
৩৪ Views

শেখ মো: সাইফুল ইসলাম গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:

মহামারী নোবেল করোনা ভাইরাস দেশে ঝড়িয়ে পড়ায় সরকারকে অর্থনৈতিক ভাবে হেও করার জন্য সরকারী বরাদ্দের সিংহভাগ অর্থ সিমিত কাজের মাধ্যমে হাতিয়ে নিচ্ছেন কিছু দুর্তীতিবাজ কর্মকর্তা।
গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলিতে বিদ্যালয় সংস্কার ও শহীদমিনার নির্মাণ করার জন্য বরাদ্দ দিয়েছেন শিক্ষা ডিপার্টমেন্ট।
২০১৯ অর্থ বছরে এ উপজেলায় ৬৭টি বিদ্যালয়ের নামে ২ লক্ষ করে টাকা বরাদ্দ আসে, মোট বরাদ্দ ১ কোটি ৩৬ লক্ষ টাকা।
এমনকি অন্য আরো ৩৮ টি বিদ্যালয়ের নামে সরকারী বরাদ্দ মেলে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা মোট বরাদ্দ ৪১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।
সর্বমোট ১০৫ টি বিদ্যালয়ের নামে সরকারী বরাদ্দ মেলে ১ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকা।
এই সরকারী অর্থ লুটিয়ে নিতে কৌশলে ২ থেকে আড়াই হাজার ইট দিয়ে লামছাম শহীদমিনার নির্মাণ করে সিংহভাগ সরকারী অর্থ আত্মসাৎ করছেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হারুন উর-রশিদসহ বিদ্যালয়ের প্রধানগণ।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, একটি করে শহীদমিনার নির্মাণ করা হচ্ছে মাত্র ২ থেকে আড়াই হাজার ইটা দিয়ে।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সচেতন মহলসহ স্থানীয় ব্যাক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শহীদমিনার নির্মাণের জন্য ২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ আসলেও মাত্র ৪০/৪৫ হাজার টাকা ব্যায়ে শহীদমিনার নির্মাণ করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হারুন উর-রশিদের সঙ্গে কথা হলে, তিনি সংবাদকর্মীকে বলেন, সব বিদ্যালয়ের কাজ শেষ হলে আপনাদের জন্য একটা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, তা আপনাদের মাঝে দেয়া হবে।
এই দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তা হারুন উর-রশিদ সরকারী মোটা অংকের অর্থ আত্মসাৎ করার জন্য ২ লক্ষ টাকার কাজ মাত্র ৪০/৪৫ হাজার টাকায় মেকআপ দিয়ে আচ্ছেন।
এমনভাবে শিক্ষা ডিপার্টমেন্টে সরকারী অর্থ কোটি কোটি উড়িয়ে যাচ্ছে, কিন্তু সরকারী কর্মকর্তা বাবুগণ ধড়া ছোঁয়ার বাহিরে থেকে যাচ্ছেন।
তাই মহামারী সংকটময় কালে দেশকে অর্থনৈতিক সচ্ছল রাখতে এই সকল কর্মকর্তা বাবুদের নিকট থেকে সরকারী সকল বরাদ্দের হিসাব নিতে প্রতিটি জেলায় তদন্ত কমিটি গঠন করা দরকার বলে মনে করছেন দেশপ্রেমী সচেতন মহল।
আগামী সংখ্যায় চোখ রাখুন

Leave A Reply

Your email address will not be published.