Ultimate magazine theme for WordPress.

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলমসাধু চালক তরিকুল ইসলাম নিহত।

0
২১ Views

 

বার্তা সম্পাদক ঃ মোঃ সম্রাট হোসেন

চুয়াডাঙ্গার জেলা সরোজগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলমসাধু চালক তরিকুল ইসলামকে খুন করা হয়েছে। পাশের দোকানের কর্মচারী রিফাতের বুঙ্গা ফলার আঘাতে তিনি মারা যান বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। রোজ বুধবার ৯-ই সেপ্টেম্বর ২০২০ আনুমানিক বেলা সাড়ে ৫ টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার সরোজগঞ্জ বাজারে এ ঘটনা ঘটে। নিহত তারিকুল ইসলাম (২৫) চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার সুবদিয়া পাঁচমাইলপাড়ার মইনুদ্দিনের ছেলে। এ ঘটনার পর একই উপজেলার কিরণগাছি গ্রামের বদর উদ্দিনের ছেলে হামলাকারী যুবক রিফাত হোসেন পালিয়ে গেছে। নিহত তরিকুল ইসলামের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা আছে।
প্রত্যক্ষদর্শী সরোজগঞ্জ বাজারের শাহ ষ্টোরের কর্মচারী আরিফুল ইসলাম জানান, গতকাল বুধবার বেলা সাড়ে ৫টার দিকে তারিকুল ইসলাম চুয়াডাঙ্গার বড়বাজার থেকে তার আলমসাধুতে সরোজগঞ্জ বাজারের গৌতম ষ্টোরের মালামাল নিয়ে ওই দোকানের সামনে থামেন। এ সময় দোকানের পাশে আলমসাধু রাখা নিয়ে পাশের দোকান শাহ ষ্টোরের কর্মচারী রিফাত হোসেনের সঙ্গে তর্কবিতর্ক হয়। এক পর্যায়ে রিফাত হোসেন দোকান থেকে বুঙ্গা (বস্তা ফুটো করে চাল বের করার যন্ত্র) নিয়ে তারিকুলের তলপেটের বাম পাশে ঢুকিয়ে দেয়। স্থানীয় লোকজন তারিকুলকে গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার করে সন্ধ্যা ৬টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসাপাতালে নিলে জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত ডা. মাহবুবুর রহমান তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। চিকিৎসক বলেন, নিহত তরিকুল ইসলামের শরীর থেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হওয়ার কারনে তার মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে, তরিকুল ইসলামের নিহত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালে ছুটে আসে তার পরিবারের লোকজন। নিহত তরিকুল ইসলামের স্ত্রী আশুরা খাতুন ও তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের আহাজারিতে হাসপাতাল এলাকার বাতাস ভারী হয়ে ওঠে।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি আবু জিহাদ ফখরুল আলম খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘ঘটনার পরপরই হামলাকারী যুবক রিফাত পালিয়ে গেছে। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। ময়নাতদন্তের জন্য তরিকুল ইসলামের লাশ সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা আছে। আজ ময়নাতদন্ত শেষে লাশ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.