Ultimate magazine theme for WordPress.

ধুনটে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় অসহযোগিতার অভিযোগে তদন্ত কর্মকর্তা ক্লোজ!!!!

0
৫৯ Views

 

রাজশাহী বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান:

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় দেউড়িয়া গ্রামের গোপালনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীতে পড়ুয়া এক স্কুল ছাত্রী(১৩) অপহরণ ও ধর্ষণের ঘটনায় মামলার আসামি গ্রেপ্তারে গাফিলতি ও ব্যর্থ হওয়ায় তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) আহসানুল হককে থানা থেকে প্রত্যাহার করে গত বুধবার সকালে তাঁকে জেলা পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এ সম্পর্কে ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কৃপা সিন্ধু বালা জানান, ধর্ষণ মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে ব্যর্থ হওয়ায় পুলিশ সুপারের নির্দেশে তদন্ত কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এজাহারে বলা হয়, মাসুদ রানা (৩৫) নামের এক যুবক ওই ছাত্রীকে বিভিন্ন সময় উত্ত্যক্ত করতেন। ঐ গ্রামের মজিবর রহমানের রহমানের ছেলে ৷ গত ১৬ জুলাই নানাবাড়িতে যাওয়ার পথে ওই ছাত্রীকে জোর করে অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যান মাসুদ রানা ও তাঁর সহযোগীরা। এই ঘটনায় মাসদু রানা, গোপালনগর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ফজলুল হকসহ সাতজনের বিরুদ্ধে গত ১২ আগস্ট অপহৃত ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে ধুনট থানায় মামলাটি করেন।

ছাত্রীর মা জানান, অপহরণের ১ মাস ৯ দিন পর সিরাজগঞ্জ থেকে মেয়েটিকে উদ্ধার করেন তাঁর বাবা ও এলাকার মানুষ। আসামিদের গ্রেপ্তার ও বাদীকে সহযোগিতা করতে কোনো ভূমিকা রাখেননি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আহসানুল হক। মেয়েকে উদ্ধারের পর থেকে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা মামলা তুলে নিয়ে মীমাংসা করার জন্য ভুক্তভোগীদের উপর চাপ সৃষ্টি করে আসছিলেন। এমনকি মামলা তুলে নেওয়ার জন্য তাঁর কাছ থেকে জোর করে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। পুলিশের সহযোগিতা না থাকায় অনেকটা বাধ্য হয়েই ভুক্তভোগীরা সাদা কাগজে স্বাক্ষর দিয়েছেন।

এসব অভিযোগের বিষয়ে আহসানুল হক জানান, আসামিদের গ্রেপ্তার করতে অনেক চেষ্টা করা হয়েছে। বাদীকে সহযোগিতার কোনো কমতি ছিল না। হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য তাঁর বিরুদ্ধে এসব মিথ্যা কথা বলা হচ্ছে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.