Ultimate magazine theme for WordPress.

গলাচিপায় গ্যাস সিলিন্ডার লিক হয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভুত বসতঘর। মোঃতুহিন শরীফ, সিনিয়ার স্টাফ রিপোটার্র। পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের ভাঙ্গা গ্রামে গ্যাস সিলিন্ডার লিক হয়ে আগুনে পুড়ে একটি দোতলা টিনের ঘর সম্পূর্ণ ভস্মিভূত হয়েছে। প্রতিবেশীরা চেষ্টা করেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। তবে এ ঘটনায় কেউ আহত হয়নি। আগুনে পুড়ে শিল্পী বেগমের প্রায় সাড়ে ছয় লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এলাকাবাসী সূত্রে জানাগেছে, শুক্রবার রাত আটটার দিকে গলাচিপা উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের ভাঙ্গা গ্রামের হানিফ সরদারের স্ত্রী শিল্পী বেগম পরিবারের সদস্যদের নিয়ে একই এলাকায় বাপের বাড়িতে ছোটবোনের বিয়ের অনুষ্ঠানে যান। এদিকে শিল্পী বেগমের ঘরে রাত আটটার দিকে ঘরে আগুন দেখতে পেয়ে তাকে খবর দেয় প্রতিবেশীরা। কিন্তু তিনি (শিল্পী) আসার আগেই দোতলা টিনের ঘরটি আগুনে পুড়ে সম্পূর্ণ ভস্মিভূত হয়ে যায়। গার্মেন্টস শ্রমিক শিল্পী বেগমের শেষ আশ্রয়স্থল টুকু পুড়ে যাওয়ায় এখন স্বামী, সন্তান নিয়ে খোলা আকাশের নীচে বসবাস করছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশিষ কুমার বলেন, ‘ঘটনা জানার পরই আমরা ওই পরিবারটিকে খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।তিনি আরও বলেন, গ্যাস সিলিন্ডার লিক হয়ে আগুনের সুত্রপাত ঘটেছে বলে স্থানীয় লোক মুখে জানাগেছে। এ ঘটনায় আমখোলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মনির হোসেন মৃধা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বলে জানান।

0
৫২ Views

 

মোঃতুহিন শরীফ, সিনিয়ার স্টাফ রিপোটার্র

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের ভাঙ্গা গ্রামে গ্যাস সিলিন্ডার লিক হয়ে আগুনে পুড়ে একটি দোতলা টিনের ঘর সম্পূর্ণ ভস্মিভূত হয়েছে। প্রতিবেশীরা চেষ্টা করেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। তবে এ ঘটনায় কেউ আহত হয়নি। আগুনে পুড়ে শিল্পী বেগমের প্রায় সাড়ে ছয় লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানাগেছে, শুক্রবার রাত আটটার দিকে গলাচিপা উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের ভাঙ্গা গ্রামের হানিফ সরদারের স্ত্রী শিল্পী বেগম পরিবারের সদস্যদের নিয়ে একই এলাকায় বাপের বাড়িতে ছোটবোনের বিয়ের অনুষ্ঠানে যান। এদিকে শিল্পী বেগমের ঘরে রাত আটটার দিকে ঘরে আগুন দেখতে পেয়ে তাকে খবর দেয় প্রতিবেশীরা। কিন্তু তিনি (শিল্পী) আসার আগেই দোতলা টিনের ঘরটি আগুনে পুড়ে সম্পূর্ণ ভস্মিভূত হয়ে যায়। গার্মেন্টস শ্রমিক শিল্পী বেগমের শেষ আশ্রয়স্থল টুকু পুড়ে যাওয়ায় এখন স্বামী, সন্তান নিয়ে খোলা আকাশের নীচে বসবাস করছেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশিষ কুমার বলেন, ‘ঘটনা জানার পরই আমরা ওই পরিবারটিকে খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।তিনি আরও বলেন, গ্যাস সিলিন্ডার লিক হয়ে আগুনের সুত্রপাত ঘটেছে বলে স্থানীয় লোক মুখে জানাগেছে।

এ ঘটনায় আমখোলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মনির হোসেন মৃধা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বলে জানান।

Leave A Reply

Your email address will not be published.