Ultimate magazine theme for WordPress.

বটিয়াঘাটায় আম্রুতা কালো জাতের অসময়ের তরমুজ বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে আনন্দের হাঁসি

0
২০ Views

মহিদুল ইসলাম(শাহীন) বটিয়াঘাটা খুলনা।। বটিয়াঘাটা উপজেলায় অসময়ের কালো জাতের আম্রুতা তরমুজ ব্যাপক চাষ হয়েছে। অসময়ে তরমুজের বাম্পার ফলন হওয়ায় কৃষকের হাঁসি যেন থামছেইনা। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রবিউল ইসলামের আন্তরিকতায় এবং কৃষিবীজ সীট কোম্পানির সহায়তায় ও উপ সহকারী কৃষি অফিসারদের সার্বিক পদচারণায় এই বাম্পার ফলন কৃষকরা উপভোগ করতে পেরেছেন বলে সচেতন মহলে ধারণা। চলতি বছরে বটিয়াঘাটা উপজেলায় ২০/২৫ হেক্টর জমির ঘেরের ভেড়ি,আইল বা মাচায় এই তরমুজ চাষ হয়েছে। যাহা প্রতি হেক্টরে ৩৫ মেট্রিকটন উৎপাদন হবে। এই তরমুজের জীবন কাল ৮৫/৯০ দিন। প্রতি বিঘা জমিতে খরচ অনুঃ ২০/২৫ হাজার টাকা এবং বিক্রি হবে ৫০/৬০ হাজার টাকা। এই তরমুজের ওজন ৩/৪ কেজি, যার বাজার মুল্য ১৫/১৬ শত টাকা মন। উপজেলায় গঙ্গারামপুর,বটিয়াঘাটা সদর ও সুরখালী ইউনিয়নে এই তরমুজ চাষ হয়েছে। গঙ্গারামপুর ইউনিয়নের কৃষক ২০/২৫ জন তরমুজ চাষ করেছেন। বয়ারভাঙ্গার কৃষক মৃনাল,মসিন,হরিতাস মন্ডল জানান, উপসহকারী কৃষি অফিসার আঃ গফফার গাজীর সার্বিক পরামর্শে আমরা অসময়ের তরমুজ চাষে আগ্রহ প্রকাশ করি এবং ভালো ফলন হয়েছে। সুরখালী ইউনিয়নে ৪০/৪৫ জন কৃষক ২০/২৫ হেক্টর জমিতে এই তরমুজ চাষ করেছে। তার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য সুখদাড়ার কৃষক জামান আহমেদ জানান,জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত উপসহকারী কৃষি অফিসার সরদার আব্দুল মান্নান স্যারের পরামর্শে এবং তার সঠিক দিক নির্দেশনায় আমাদের এলাকায় প্রায় ৪০/৫০ জন কৃষক অসময়ের তরমুজ চাষ করেছেন। আমি নিজে প্রায় ২৭ বিঘা জমি ঘেরের আইলে ও মাচায় এই তরমুজ চাষ করি। আশা করি আমার তরমুজ বাগান ৪/৫ লাখ টাকা বিক্রি হবে। অসময়ে তরমুজ লাগিয়ে এতো লাভ আগে কখনও দেখিনি আশা করি আগামী বছরে শত শত বিঘা জমিতে এই তরমুজ চাষ হবে। সার্বিক বিষয় উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রবিউল ইসলাম বলেন,প্রথমে ধন্যবাদ জানাই কৃষি বান্ধব সরকার প্রধান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও কৃষি মন্ত্রী মহোদয়কে কৃষকদের জন্য অসময়ের তরমুজ চাষসহ বিভিন্ন ধরনের নতুন নতুন আবিষ্কার তৈরির জন্য। গত বছরের তুলনায় এবছর কয়েকগুণ বেশি তরমুজ চাষ হয়েছে আশা করি আগামিতে হাজার হাজার কৃষক তরমুজ চাষ করবে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.